Clairet Lipide

ESPN reveals Bills' bottom line in NFL Draft

· Yahoo Sports

ESPN reveals Bills' bottom line in NFL Draft originally appeared on The Sporting News. Add The Sporting News as a Preferred Source by clicking here.

The Buffalo Bills have faded quietly into the background after their trade for DJ Moore, and for a team that is on the Super Bowl hot seat with a first-time head coach, that is where they want to be.

Visit raccoongame.org for more information.

As the draft edges ever closer, what the Bills will do in the first-round with their No. 26 pick is unknown, as there doesn't seem to be the chance that the Bills will get the proper difference-maker it wants.

Of course, the team could trade up, but that would require more draft capital, and with the defensive needs glaring, Buffalo likely won't do so.

So, for ESPN's Ben Solak, his "bottom line" for Buffalo is rather simple.

"Have to move back," Solak wrote. "There are depth needs everywhere, but the biggest ones are at linebacker, cornerback and wide receiver."

More:ESPN labels Commanders terrifying if 1 draft selection is made

Bills to load up on defense?

That would appear to be a good strategy for Beane and the front office, and in the first-round, if the Bills don't trade back to acquire more draft capital, then defense, and possibly an edge, should be the play.

Receiver is still a lurking problem, even with the addition of Moore, but it is hardly the blinking light on Buffalo's dashboard right now. If someone falls to the Bills in the later rounds, sure, but premier draft capital won't likely be used on a receiver.

That leaves defense, at least for the first couple of draft selections (No. 26, No. 91), to address needs for new coordinator Jim Leonhard.

Luckily, the Bills need depth pieces, not genuine starters, which likely helps a franchise that only has two picks inside the top 100.

More NFL news:

Read full story at source

গরমে সুস্থ থাকতে এই খাঁটি দেশি ব্রেকফাস্টই যথেষ্ট, বানাতে হবে ৬টি নিয়ম মেনে

· Prothom Alo

পান্তাভাত শুধু একটি খাবার নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্য, স্বাদ ও পুষ্টির এক অনন্য মেলবন্ধন। সঠিকভাবে তৈরি এই ফারমেন্টেড খাবার শরীরকে শীতল রাখে ও হজমে সহায়তা করে। তাই কেবল পয়লা বৈশাখে নয়, খেতে পারেন বছরের অন্য সময়েও।

বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখের সকালে পান্তা–ইলিশ খাওয়ার হুজুগ কিছুটা কমেছে। তবে পান্তা অন্যান্য পদের সঙ্গে বছরের যে কোন সময়েই খাওয়া যায়। রাতে রান্না করা গরম ভাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে ফারমেন্ট (গাঁজানো) করে তৈরি করা পান্তাভাত খাওয়া হয় নানা পদের ভর্তা ও ভাজির সঙ্গে। এই খাবার স্বাস্থ্যকর কি না, তা নির্ভর করে পরিমাণ, প্রস্তুতি ও ব্যক্তির স্বাস্থ্যের ওপর। সামগ্রিকভাবে এটাকে মাঝারি থেকে ভালো স্বাস্থ্যকর বলা যায়, বিশেষ করে গরমকালে।

Visit h-doctor.club for more information.

কীভাবে বানাবেন

পান্তাভাতের ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়া খুবই সহজ, প্রাকৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী। এটি মূলত ল্যাকটিক অ্যাসিড ফারমেন্টেশন (Lactic Acid Fermentation)—যেখানে ভালো ব্যাকটেরিয়া (বিশেষ করে ল্যাকটোব্যাসিলাস জাতীয়) ভাতের শর্করা ভেঙে ল্যাকটিক অ্যাসিড তৈরি করে। ফলে ভাতের স্বাদ অম্ল (টক-মিষ্টি), পুষ্টিগুণ বাড়ে এবং প্রোবায়োটিক তৈরি হয়।

ধাপে ধাপে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়া ও বানানোর সঠিক নিয়ম

ভাত রান্না করা
• সাধারণত আগের রাতের ভাত ব্যবহার করা হয় (পরিবেশবান্ধব ও সংরক্ষণের উপায়)।
• নতুন ভাত রান্না করলে: চাল ধুয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রান্না করুন। ফ্যান (মাড়) ছেঁকে ফেলুন। ভাত গরম থাকতে থাকতে পাতলা করে ছড়িয়ে ৩-৪ ঘণ্টা বাতাসে ঠান্ডা করুন (রুম টেম্পারেচারে)। গরম ভাত সরাসরি পানিতে দেবেন না।

পানিতে ভিজিয়ে রাখা
• একটি পরিষ্কার পাত্রে ঠান্ডা ভাত নিন।
• পরিষ্কার পানি দিন—ভাত যেন পুরোপুরি ডুবে থাকে এবং ভাতের ওপরে প্রায় ১-২ ইঞ্চি (২-৫ সেমি) পানি উঠে থাকে।
• সামান্য লবণ মেশাতে পারেন (ঐচ্ছিক, স্বাদ ও সংরক্ষণের জন্য)। কেউ কেউ সামান্য পরিমাণে দই বা টক দই দিয়ে থাকেন; তাতে ফারমেন্টেশন ত্বরান্বিত হয়।
• পাত্রটি ঢেকে রাখুন (হালকা কাপড় বা ঢাকনা দিয়ে, পুরোপুরি এয়ারটাইট না করে। কারণ, এই প্রক্রিয়ায় অল্প অক্সিজেন লাগে।

ফারমেন্টেশনের সময়
• রুম টেম্পারেচারে (২৫ থেকে ৩০°ডিগ্রি সেলসিয়াস) রাখুন। ফ্রিজে রাখবেন না, ফারমেন্টেশন হবে না।
• সাধারণত ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা (রাতে রেখে সকালে খাওয়া আদর্শ)। গরমকালে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা, শীতে একটু বেশি সময় লাগতে পারে।
• এই সময়ে অ্যানারোবিক (অক্সিজেন কম) পরিবেশে ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া (Lactobacillus plantarum, Pediococcus ইত্যাদি) সক্রিয় হয়। তারা ভাতের কার্বোহাইড্রেট ভেঙে ল্যাকটিক অ্যাসিড ও সামান্য ইথানল (অ্যালকোহল) তৈরি করে।
• ফলে pH কমে (অম্লত্ব বাড়ে), ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দমন হয়, খনিজের (আয়রন, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি) জৈব কার্যকারিতা বাড়ে, প্রোবায়োটিক তৈরি হয়।

প্রস্তুতি ও খাওয়া
সকালে ভাত নরম ও সামান্য টক স্বাদযুক্ত হয়ে যাবে। হালকা মেখে পানিসহ বা পানি ঝরিয়ে খান। সাধারণত লবণ, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা, লেবু দিয়ে খাওয়া হয়।

পান্তায় তৈরি হয় স্বাস্থ্যকর প্রোবায়োটিক

প্রোবায়োটিক হলো জীবিত উপকারী ব্যাকটেরিয়া (যেমন Lactobacillus, Bifidobacterium জাতীয়) যা পর্যাপ্ত পরিমাণে খেলে মানুষের স্বাস্থ্যের উপকার করে। এগুলো অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম (ভালো ব্যাকটেরিয়ার সমন্বয়) ভারসাম্য রক্ষা করে কাজ করে। পান্তা ভাতের ফারমেন্টেশনেও এমন প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক (ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া) তৈরি হয়। প্রোবায়োটিকের স্বাস্থ্য উপকারিতা স্ট্রেন-নির্ভর (নির্দিষ্ট প্রজাতি ও স্ট্রেনের ওপর নির্ভর করে) এবং ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

পান্তার পুষ্টিগুণ

পান্তা হলো ফারমেন্টেড রাইস (ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া দিয়ে গাঁজানো)। সাধারণ ভাতের চেয়ে এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি বাড়ে:
• প্রোবায়োটিক–সমৃদ্ধ: ল্যাকটোব্যাসিলাস জাতীয় ভালো ব্যাকটেরিয়া হজমশক্তি বাড়ায়, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম কমায়।
• খনিজ পদার্থ বৃদ্ধি: গবেষণায় দেখা গেছে, ১০০ গ্রাম সাধারণ ভাতে আয়রন ৩.৪ মিলিগ্রাম থাকলে পান্তায় তা বেড়ে ৭৪ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামও অনেক বাড়ে। এতে অ্যানিমিয়া (রক্তশূন্যতা) কমে, হাড় মজবুত হয়।
• শরীর ঠান্ডা ও হাইড্রেশন: গরমে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং পানিশূন্যতা দূর করে। অনেকে বলেন, খাওয়ার পর আরামের ঘুম হয়।
• ইমিউনিটি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ভিটামিন বি (বি৬, বি১২) বাড়ে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী হয়।

পান্তা হজমশক্তি ও অন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর

• অ্যান্টিবায়োটিক-সম্পর্কিত ডায়রিয়া প্রতিরোধ: প্রোবায়োটিক ঝুঁকি ৫১ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে।
• সংক্রামক ডায়রিয়া (বিশেষ করে শিশুদের): ডায়রিয়ার সময়কাল ও তীব্রতা কমায় (প্রায় ৩৬ শতাংশ ঝুঁকি হ্রাস)।
• আইবিএস (ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম) কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস ও বদহজম কমায়।
• অন্ত্রের বাধা (gut barrier) মজবুত করে, প্রদাহ কমায় এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দমন করে।
• ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা (দুধ হজমের সমস্যা) উন্নত করে।
• অন্ত্রে রোগ প্রতিরোধক্ষমতার ৭০ শতাংশ অবস্থিত। প্রোবায়োটিক অ্যান্টিবডি ও ইমিউন সেল বাড়ায়।
• শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ (সর্দি-কাশি) কমাতে সাহায্য করতে পারে।
• প্রদাহজনক মার্কার (CRP, TNF-α, IL-6) কমায়।
• হৃদ্‌রোগ ও কোলেস্টেরল: কিছু স্ট্রেন মোট কোলেস্টেরল ও LDL কমাতে পারে (৭-৮ mg/dL পর্যন্ত)।
• মেটাবলিক স্বাস্থ্য: রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নতি, ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য (ডায়াবেটিস ও স্থূলতায় সম্ভাব্য ভূমিকা)।
• মানসিক স্বাস্থ্য (গাট-ব্রেন অ্যাক্সিস): উদ্বেগ, ডিপ্রেশন ও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করতে পারে
• অ্যালার্জি ও ত্বক: অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিসের লক্ষণ কমাতে পারে।
• মুখের স্বাস্থ্য ও অন্যান্য: কিছু ক্ষেত্রে দাঁতের সমস্যা বা অন্যান্য সংক্রমণে উপকারী।

কীভাবে কাজ করে

প্রোবায়োটিক অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দমন করে, শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড (SCFA) তৈরি করে, pH কমায় এবং ইমিউন সিস্টেম মডুলেট করে।

সতর্কতা

• ফারমেন্টেশনের সমস্যা: যদি ভাত অতিরিক্ত গাঁজানো হয় বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রাখা হয়, তাহলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া (যেমন Bacillus cereus) বাড়তে পারে, যা খাদ্য বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। সব সময় পরিষ্কার পাত্রে, ফ্রিজে বা ঠান্ডা জায়গায় রাখুন।
• অন্যান্য: লবণ বা তেল বেশি ব্যবহার করলে ক্যালোরি বাড়ে।
• প্রতিদিন না খেয়ে মাঝে মাঝে খাওয়া ভালো।

পান্তা গরমের দিনে সুস্বাদু, হাইড্রেটিং, প্রোবায়োটিক-সমৃদ্ধ এবং পুষ্টিকর খাবার। এটি হজম, ইমিউনিটি ও শক্তি জোগাতে সাহায্য করে, বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষের জন্য ভালো। এটি শুধু ঐতিহ্য নয়, সঠিকভাবে খেলে স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। উৎসবে উপভোগ করুন, কিন্তু পরিমিতি বজায় রাখুন!
লেখক: খাদ্য ও পথ্য বিশেষজ্ঞ; প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

ছবি: হাল ফ্যাশন ও প্রথম আলো

Read full story at source

Asia markets open lower as fragile Middle East ceasefire tempers sentiment

· CNBC